ভূমিকা
ইসলামি ফিকহে **ওয়ালায়াত** (বন্ধুত্ব/সমর্থন) প্রসঙ্গে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। উলামায়ে কেরাম **মুওয়ালাত** (সাধারণ সম্পর্ক/সহযোগিতার কিছু রূপ) ও **তাওয়াল্লি** (শত্রুপক্ষের প্রতি আনুগত্যমূলক সমর্থন)–এর মধ্যে পার্থক্য করেছেন।
নোট: নির্দিষ্ট ব্যক্তির তাকফির, যুদ্ধ বা শাস্তির প্রশ্নে **যোগ্য আলিম**, **প্রাসঙ্গিক শর্ত (শরত)** ও **প্রতিবন্ধকতা (মাওয়ানেয়)** বিবেচনা অপরিহার্য।
কুরআনের দলিল
আল্লাহ তাআলা বলেন:
"তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে অভিভাবক/বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।"
*(সূরা আল-মায়িদা: ৫১)*
তাওয়াল্লি ও মুওয়ালাত: পার্থক্য
শর্ত ও প্রতিবন্ধকতা
তাকফির প্রসঙ্গে উলামারা সাধারণত যেসব বিষয় দেখেন:
2. জ্ঞান/অজ্ঞানতা
3. ইচ্ছা/জবরদস্তি
4. ভুল ব্যাখ্যা/তাওয়ীল
5. প্রেক্ষাপট ও ফলাফল
এগুলো উপেক্ষা করে হুকুম দেওয়া ফিকহি পদ্ধতির পরিপন্থী।
উপসংহার
মুসলিমদের বিরুদ্ধে **আনুগত্যমূলক সমর্থন**–এর বিষয়টি ইসলামি আকিদাহতে অত্যন্ত গুরুতর। তবে **শিক্ষামূলক আলোচনা** ও **ব্যক্তিগত হুকুম আরোপ** এক নয়। কুরআন–সুন্নাহ, উসূল ও উলামাদের পদ্ধতি মেনে **সংযম, জ্ঞান ও ন্যায়**–এর সাথে বিষয়টি বোঝাই সঠিক পথ।
শেয়ার করুন