চারটি মূলনীতি যা ইসলামকে সেকুলারদের দ্বীন থেকে আলাদা করে
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ
এই রিসালাহটি কিছু মূলনীতি সম্পর্কে লিখিত যা দ্বারা একজন মুসলিম তার মহান দ্বীন [ইসলাম] এবং নতুন পৌত্তলিকতা, আধুনিক শির্ক সেক্যুলারিজম [আল ইলমানিয়্যাহ] এর মধ্যকার পার্থক্য করতে সক্ষম হবে।
প্রথম মূলনীতি
যে মুশরিকদের নিকটে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রেরণ করা হয়েছিলো, তারাও বিশ্বাস করতো যে আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত কারো রুবুবিয়্যাহ নেই।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
"বলো: কে আসমান ও জমিন হতে রিযক দেয়? কিংবা কে দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তির অধিপতি? তখন তারা অবশ্যই বলবে, 'আল্লাহ'।"
*(সুরাহ ইউনুস ১০:৩১)*
তবে আল্লাহর রুবুবিয়্যাহর প্রতি ঈমান থাকা সত্ত্বেও তারা ইসলামে প্রবেশ করেনি।
দ্বিতীয় মূলনীতি
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন লোকজনের নিকটে এসেছিলেন যাদের নিকটে বিভিন্ন বিধিবিধান ছিলো যা তারা নিজেদের মধ্যকার বিতর্কে ব্যবহার করতো।
আল্লাহ তাআলা কুরাইশ এবং তাদের অনুসারীদের সম্পর্কে বলেন:
"তাদের জন্য কি এমন কিছু শরীক আছে, যারা তাদের জন্য দ্বীনের বিধান দিয়েছে, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি?"
*(আশ শুরা ৪২:২১)*
তৃতীয় মূলনীতি
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন লোকেদের নিকটে এসেছিলেন যারা দ্বীনকে তার চেয়ে কম করেছিলো—বিপদাপদে তারা শুধুমাত্র আল্লাহ তা'আলার ইবাদাত করতো এবং বিপদ কেটে গেলে তারা শির্কে লিপ্ত হতো।
আল্লাহ তায়ালা তাদের সম্পর্কে বলেন:
"তারা যখন নোযানে আরোহন করে, তখন তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর যখন তিনি তাদেরকে স্থলে পৌছে দেন, তখনই তারা শির্কে লিপ্ত হয়।"
*(আল আনকাবুত ২৯:৬৫)*
চতুর্থ মূলনীতি
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিকদের নিকটে এসেছিলেন যখন তারা বিভিন্ন বস্তুর ইবাদাত করতো। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাউকে পার্থক্য করেননি বরং সবাইকে কুফরের হুকুম দিয়েছেন।
উপসংহার
সেক্যুলারিস্টরা ঠিক মুশরিকদের মতো, যাদের অনেক জিনিস রয়েছে এবং তারা সেগুলোর ইবাদাত করে। কুফর এবং রিদ্দাহর ক্ষেত্রে তাদের [সেক্যুলারিস্ট] প্রাচীন মুশরিকদের সাথে পার্থক্য নেই।
শেয়ার করুন